Showing posts with label TCSA. Show all posts
Showing posts with label TCSA. Show all posts

Monday, January 20, 2020

ধক আ মাজারা

ইক্কো জাদর তুগুন সম্পত্তি তার ধক আ মাজারাগানি। আহ্জার আহ্জার বঝর ধরি ইক্কো জাদত জনম লোয়ে পোতপোত্যে মানেয়ুনোর ফুদো ফুদো মেহ্ত এগত্তর ওহ্নেই জনম লয় ইক্কো জাদর ধক, হাচ্যেক আ মাজারা। ইক্কো জাদর পরানঘর হোই পারা জায় জার জার এ মাজারাগানি।

মাজারা বাজেই রাঘানার লারেই ইক্কু আমার আঝল লারেই। আমা জাগাগানি আ সিয়েনির নাঙ, নাঙত্তলে সমি থেয়ে বিজক্কানি, আমা হধা - তার ঘাচ্চারা আ লিগিভার অহ্রক্কুন, আমা পিনোন, হাহ্দি, হবঙ, সিলুম, আমা উভোগীত, ওলিগীত, ঝরাগীত, তান্যেবিগীত, আমা ধুদুক, হেঙগরঙ, শিঙে, বাঝি, আমা বনভান্তে, মানবেন্দ্র লারমা, হালিন্দি রানী, শিপচরন, পেথ্যে ফগির, আমা হেবাঙ, হোরবো, গোরাম, গুদেয়ে, তাবাদ্যে, তেলদ্যে, পোগোনোতদ্যে, সেক্কে, পুচ্চে - ইয়েনি আমা জাদর পরানর এক-এক্কো হোলোই। ইয়েনি লুগেই জানা মানে চাঙমা জাত লুগেই জানা।

আমা জাদর সম্পত্তিগানি সিদি পোচ্ছে নানান বামত নানান ধগে - মিয়ানমারত, ভারদত, বাংলাদেঝত, দৈঙনাক্যেত, তোঙতোঙ্যেত, আনোক্যেত - ইয়েনি ভেক্কানি বাজেই রাগেবাত্যেই একজমালে বালা ধারাধারিগরি গিল দিবার হামত লামা পরিবো। ন অহ্লে গায় গায় হন’ জনে বুরেই ন এভঙ।

জাদর মাজারা বানানা আ আগেধে মাজারাগানি বাজেই রাঘেবার হামত বিঝুফুল বেঘর সেপবত্তা আ বলাবল লোনেই লেবেদেই আঘে ১৩ বঝর ধরি। দুমুরি ন পারিলেয়ো চিগোন চিগোন হুচ ফেলেই আমি আক্কোই জের নিরঘন্দি গরি। আমার আঝা একদিন আমি সাল্যেঙত লুঙিবঙ্গোয়ই।

বিঝুফুল, নাদা-১৩, বিঝু-২০১৩

Thursday, January 16, 2020

বিঝুগুলোর ১২ বঝর

দেঘদে দেঘদে ধর্মনগর চাঙমা ছাত্রগুনোর পত্তি বিঝু তাগিনেই ফগদাঙ গোচ্ছে হধা আলাম ‘বিঝুগুলো’র ১২ বঝর পুরেই গেল’। ডাঙর জাদর সাহিত্য অক্কে ১২ বঝর হিচ্ছু নয়। মাত্তর চাঙমাগুনোর বেলায়, বিশেষ গরি তিবুরার চাঙমাগুনোর হধা ঈদোত রাগেলে ইভ্যে আমার বেঘত্থুন বেচ দিন ধরি এঘামারে চলি এচ্ছে হধা আলাম। আগেদি তিবুরাত যিধুক্কো হধা আলাম জনম লোয়োন ভেক্কুন নানান তুচ্ছেত ভচ যেয়োন। আজলে তোগেই চেলে, একমাত্র সরকারী ‘ত্রিপুরা সদক’, ‘মাদি’ আ আগরতলার ‘বিঝু ফুল’রে ফারক গরিলে হন’ ইক্কো হধা আলাম পাচ বঝরো পুরেই পাচ্ছোনগরি আমার ঈদোত ন’উধে। এক মাত্র ‘বিঝুগুলো’য় পুরেই পাচ্ছে ১২ বঝর। এ পইদ্যানে পুরোনী ছাত্রগুনে বিঝুগুলোর জনমথান ধর্মনগর কলেজত্থুন পাশগরি (নিত্তাগে ধর্মনগর কলেজ হোস্টেলত্থুন) নিহ্গিলি যানার পরেয়ো বিঝুগুলোরে পুরি ফেলেই

Thursday, November 15, 2018

BIJHU GULO - 12th Year Celebration Issue


Please click here to download BIJHU GULO-12 years celebration issue

তিবুরা: চাঙমা লেঘার পইদ্যানে পরাক পরাক হয়েকখান হধা

আকহধা

তিবুরাত চাঙমাগুনোর জননাদা প্রায় এক লাখর ইন্ধি-উন্ধি। ১৯-চো উপজাতির মধ্যে চাঙমাঘুন জননাদাধি দি নম্বর আ গদা তিবুরাত চাঙমাঘান তিন নম্বর ডাঙর ভাষা। তিবুরার লোকসংখ্যার ৩% আ উপজাতি লোকসংখ্যার ১২.৫% চাঙমা। বেচভাক চাঙমা তিবুরার দেরগাঙ, মনুগাঙ, ফেনীগাঙর হুরে হারে আদামানিত বজত্তি গত্থন। মোটামুটি রাজা কৃঞ্চ মানিক্যর আমলত্থুন ধরি (১৭ শ শতক) গুমেদত আ ১৮ শতকর শেজত্থুন ধরি দেরগাঙত চাঙমাগুনোর বজত্তির বিজগী মাজারা তোগেই পা’ যায়। পড়া-শুনোধি তিবুরার চাঙমাঘুন সারেপারা আক্কোলেয়ো উবর হাবর পেশা বা সরকারী চাগরীত তারা এভ’ লেমপোচ্যে। গদা তিবুরাত বানা ১৫ জন চাঙমা টিসিএস/টিপিএস, চের জন বানা কলেজর মাস্টর, হন’ আইএএস অফিসার নেই, এক জন বানা উকিল - ইয়েনিয়ে গমেদালে চাঙমাগুনোর উনোঘান ফগদাঙ গরে। রাজনীতিদিধ’ তারা আর’ বেচ লেমপোচ্যা। চের পাচ্যান এডিসি/বিধানসভা সিদোত চাঙমাঘুনোর জয়-পরাজয় ঠিক গরিভার ক্ষমতা থেলেয়ো তারা হন’ দিন এক্কানত্থুন বেচ কেন্দ্রত - সিয়ে এডিসি ওহ্ক বা বিধানসভা, হন’ দিন জু ন’ পা’ন। তিবুরার চাঙমাগুনোর নিজস্ব হন’ রাজনৈতিক দল নেই বা এমন হন’ দলো নেই যিবে চাঙমা হজমা নেতাগুনোরে লারেগরি রাজনীতি শিগি নেতা ওবার সুযোগ দিবো। যার ফলে ইধু নেতা অনাগান বেজাদি নেতাগুনোর দয়ের উগুরেই ভর গোচ্যে। সেনত্যায় তারা নিজর জাদর সুখ-দুগোর হধা যেত্তোমান ভাবন সিত্থুন বেচ ভাবদে বাধ্য অন হি গরিলে ‘উতারা’ খুজি ওবাক। আর ঠিক ইয়োদই তিবুরার চাঙমাগুনোর বে’ক ফ্রন্টত অহ্দি যেবার শুরু।

চাঙমা লেঘা হেত্তেই দরকার

আমি যে যে কারনে চাঙমা লেঘার পক্ষে সওয়াল গরিই তার হয়েকখান মুলুক কারন অলদে :-
ক) চাঙমা লেঘাগান বানা চাঙমাগুনোর নয় গদা ভারদরই পুরোনি পোতপোত্যা সভ্যতার একখান মাজারা। গদা ভারদত প্রায় এক আহ্জারর হাজাহাচ্যা হধা থেলেয়ো উকখোর আঘন ২০ বাবদরো হম। ভারত সরকারে পুরোনি বিজগী মাজারাগানি বাজেই

চাঙমাগুনোর পালেবার দিন

পত্তি জাদর নাঙহিনি পারে পারা হয়েকজন মানুচ থান, যিগুনে তারার নিজর গুনে বানা নিজর ঘোরবোর/হুদুম্মোর/আদাম্যার ন থান। কাবিল হাম আ অঝার বুঘোর গুনে তারা ওহ্ই উধোন জাদর পত্তি মানুঝোর সদর হুদুম। সিগুনোর হধা জাদর পত্তি জনে জনে বার বার ঈদোত তুলোন। আর এধেক্কেয়ো হয়েকখান ঘটনা থায়, সুঘোর বা দুঘোর, যিয়েনি তারা পুরি ফেলেই ন’ পারন। বঝর ঘুরি সে দিন্নো এলেই বেঘর মনত আভর খায় সে দিন্নোর কধা। সে মানুচ্চুনোরে, সে ঘটনাগানিরে ঈদোত তুলোনাই অহ্লদে দিন পালানা।

এ দিন পালানার মধ্যেদি ইক্কো জাদে তার নিজস্বতা তোগেই পায়। জাদর হজমাগুনে, যিগুনে একদিন জাদর পাত্তলী ওহ্বাক তারা জাদর আগরির লাড়েইয়র বিজকর লঘে চিনপচ্য অহ্ন। ইক্কো জধার কর্মী গঠন গরদে অনসুর কামসিরি বাদেয়ো এবাবদর দিনুন পালানা অমহদ’ দরকার। গেল্লে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ পেজাত্তলত যে গদা তিবুরা চাঙমা ছাত্রগুনোর তেম্মাঙ ওয়ে সুওত তারা চাঙমা গুনোর হয়েক্কো দিন পালেবাক ভিলি এগেম গচ্ছোন। সে দিনুন লোনেই এচ্চের তেকহাবা তেম্মাঙান।

১. চাঙমা লেঘা দিন (৫ জানুয়ারী) : ২০০৯ সনর এ দিন্নোত ফাঙ ওয়ে তিবুরা চাঙমা ছাত্র জধা আ উদন্ধি সদকর আরকানিত আ মিজোরামর সিএডিসি আ তিবুরার ট্রাইবেল রিচার্স ইন্সটিটিউট-র বলাবল্যাত তিনমাস্যা চাঙমা লেঘার সার্টিফিকেট কোর্স। এ দিন্নোত্তুন ধরি তিবুরাত চাঙমা লেঘা লারচার গঙার ওয়ে, জয়ন চাঙমার আহ্ত ধরি তিবুরাত সোম্মেগি চাঙমা লেঘা সফট্ ওয়্যার। এ দিন্নোয় তিবুরা আ মিজোরামর চাঙমাগুনোর মধ্যে ইক্কো সোনারেগা বানেই দিয়ে।

২. আন্তর্জাতিক মা-ভাচ দিন (২১ ফেব্রুয়ারী) : এ দিন্নো ইউনেসকোর গঝি লোয়ে দিন। এ পইদ্যানে বেঘে খবর পা’ন। সেনত্যায় নুও গরি আর তুলোপারা গরা ন’অহ্ল’।

৩. রাধামন-ধনপুদি দিন (ফাগুনো পুন্নিমা) : রাধামন-ধনপুদি চাঙমা জাদর পোচপানার চিন্নক। ইরুক যুগোর লঘে তাল মিলেনেই, হজমা তম্ভাবোরে পরর আচ্চারাত্থুন আলক রাগেবাত্যায় ঠধষবহঃরহবং উধু বাবদর এ দিন্নো। রাধামন-ধনপুদির নাঙে হন দিন্নো পালেই পারা যায় সিয়েন বজক ঘাদিনেই এভসঙ ঠার গরি পারা ন’যায়। সেনত্তেই গেঙখুলিনানুদাঘির ‘ফাগুনো আহ্বানে ফিরিলো ...’ হধাগান ঈদোত রাঘেই এ দিন্নো ঠিক গরা ওয়ে।

৪. শিব চরন দিন (১ জুলাই) : আদিকবি শিবচরনর নাঙে ইক্কো দিন পালেবার দরকার আগেধে হধাঘান ভেক্কুনে খাম খান। মাত্তর জাতগরি তা পইদ্যানে হন’ তারিখ এভ’ সঙ ঠায়ঠিক গরি পারা ন’যায়। তালাভিনানুগুনোর মতে ১১ আষাঢ় দিন্নো শিবচরনর জনম দিন, ফগির ওহ্ই নিগিলি যেবার দিন আ লুক দিবারো দিন। ঈজেপ গরিলে এ ১১ আষাঢ়বো মোটামুটি ১ জুলাই পরে। সেনত্তেই এ দিন্নো লুও ওয়ে। এজেত্তে দিনোত শিপচরনর পইদ্যানে আর’ তালাভি গরি গমে জানি পারা গেলে সেক্কে এ তারিক্কো সোর গরিলেয়ো গরি পারা যায়।

৫. আর্ন্তজাতিক আদিবাসী দিন (৯ আগস্ট) : ইভে জাতিসংঘর খামখেইয়ে গদা পিত্থিমিত পালান্নে দিন। ইভে পালানায়ো জদেপদে দরকার আঘে।

৬. অভিক কুমার জনম দিন (৩ সেপ্টেম্বর) : সুনানু অনিল বরন চাঙমা লেখ্যে ‘‘চাঙমা কধা চাঙমা গীত, শুনিলে মর জুরায় চিৎ’’ আ এ চাঙমা গীদর হধা ঈদোত উদিলে যা নাঙান ঈদোত উধে তে অহ্লদে সুনানু অভিক কুমার চাঙমা। আমি যনি সংস্কৃতির বামত্তুন হন জনরে বঝরপত্তি ঈদোত তুলিভার চেই সালে একমাত্র অভিক কুমারই ওহ্ই পারে সিভে।

৭. উধুবলী দিন (৩ অক্টোবর) : বাবদর বাবদর দিন আমার দরকার পালেবাত্যায়। খারার হধা যদি উধে সালে হন দিন্নো আমি পালেবঙ ? সে জঘার আমার হন’ জন নেই যা নাঙে আমি দিন পালেই পারিই। পুরোনী বুড়ো-বুড়ির মুওত্থুন শুনো যায় হয়েক জন বলীর হধা - উধু বলী, হজ্জাল বলী আর’ নানান নাঙ তারার। সালে সিগুনোর একজনর নাঙে খারার পইদ্যানে ইক্কো দিন পালেলে হেঝান অহ্য় ? সে বাবদরই এগেম ‘উধুবলী’ দিন্নোর।

৮. এম. এন. লারমা দিন (১০ নভেম্বর) : নানান জনে নানান হধা তুলিলেয়ো যদি পুঝোর গরা অহ্য় চাঙমা জাত্তো উগুরে হার রাজনৈতিক প্রভাপ বেঘত্তুন বেচ সালে এক হধায় বেঘে খাম খেবাক সিভে মানেবেন্দ্র নারায়ন লারমা। সালে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হন’ জনর নাঙে যদি আমি দিন পালেবার চেই সালে এম. এন. লারমাত্তুন অজল হন’ জনরে দেঘাই ন’ যায়। মাত্তর পারাপাঙ মান্যে/নমান্যে হধাগান চিগোন গরিনেই তার গদা জিঙহানির হামর অঝারান তুলি ধরিভার চেলে আমি (মানে ভারদর চাঙমাগুনে) তার শহীদ দিবসর বদলে জনম দিন পালেই পারিই। যেমন মহাত্মা গান্ধীরো শহীদ দিনর বদলে জনম দিন পালন গরা অহ্য়।

৯. সিএসএ দিন (১৯ নভেম্বর) : ২০০১ সনর এ দিন্নোত, আমার যে জধাবোর নাঙ এচ্চে গদা ভারদত সিদি যেয়ে, সে জধাবোর বিজি আগরতলাত লাগেয়োন আমার হয়েকজন হাম্মো বড় ভেই - বড় ভোনে। তারার হয়েক জন ওহ্লাক কৃতক চাঙমা, সনৎ দেওয়ান, জগৎ জ্যোতি চাঙমা, বরুন চাঙমা, নীল কান্তি চাঙমা, শান্তি রঞ্জন চাঙমা, তবনা চাঙমা, অমিতাভ চাঙমা, সুমঙ্গল চাঙমা, লিপি চাঙমা, সিঞ্চন চাঙমা (ইক্কু নেই), জীননানন্দ চাঙমা, সুজয় চাঙমা, শৈলেখা চাঙমা, বর্ণালী চাঙমা, জুনিকা চাঙমা, মিনতি চাঙমা আ আর’ অনেগে। তারারে আমি এ দিন্নোত পাত্তুরুতুরু জানেবঙ আ খাম খেবঙ - তারার দেঘেয়ে পধ ধরি আমি এগত্তরে আক্কোই যেবঙ। চাঙমা জাদর অধিকার আদায়র লাড়েইয়ত আমি হন’ দিন পিঝেধি ন লামিবোঙ।

১০. ননা হাজি দিন (৫ ডিসেম্বর) : চাঙমা জাদর বিগিধি-হিরিমিরির চিন্নক ননাহাজি। ইরুক যুগোর এপ্রিল ফুল্স ডে সান গরি এ দিন্নো গঝি লুও ওয়ে। মাত্তর ননাহাজির পইদ্যানে হন’ বিজগী মাজারা তোগেই সুগ ন’ পেভার কারনে উজু উজু ইক্কো দিন ফেলা ওয়ে - ৫ ডিসেম্বর। তা পইদ্যানে হন’ সুনানুয়ে যদি হন’ বিজগী তারিখ আমারে জানেই পারন সালে পাত্তুরুতুরুর সমারে আমি সিভে গঝি লভঙ। এ দিন্নোত আমি সমাচ্যা-সমাচ্যার মধ্যে বিগিধি এসএমএস পাধা-পাধি গরি পারিই। হন’ হন’ জাগাত গপ দিবার জিদেজিত্যা গরি পারিই।

উগুরোর দিনুনোর পইদ্যানে নানা জনর নানান বাবদর মতামত থেই পারে । মাত্তর আমাত্থুন ঈদোত রাঘা পরিবো যে ইয়েনই শেজ হধা নয়, ইয়েনদ’ বানা শুরু অহ্লদে।

মাদি, অক্টোবর, ২০১০, আট্য বঝর, নাদা-৫৫

কেত্তেই আমার চাঙমা লেঘা দরকার

এক কালর ধনে-জনে-জ্ঞানে পতপত্যা শাক্য জাদর মানুজ আমি চাঙমাঘুন বিজগর নানা ঘুলন্যাত পাক খেনেই ইক্কুনু ছত্রভঙ্গ। ভারত-বাংলাদেজ-বার্মা আ নানান দেজত ছিদেছিত্যে ওহ্নেই জাত-বেজাতর চাবত পরিনেই আহ্রেই ফেলের আমার বেক দোল হাচ্যেক্কানি। বেক হিঝু আহ্রেনেয়ো আমা আহ্দত রোয়ে বানা আমা ধর্মঘান আ আমা ওক্কোরুন। এ দিয়েন আমার আরাঙ সম্পত্তি বুঘত ধরি রক্ষে গরি ন পারিলে চাঙমা জাত একদিন আন্দামানর ‘বো’ জাত্তো সান গরি পিত্থিমিত্তুন লুগেই যেবগোই।

একমাত্র চাঙমা ওক্কোরুনেই পিত্থিমির বুঘোত ইক্কো জুদো জাত ভিলি আমারে চিন দি পারন। কারন দেঘা যায় যে, লোকসংখ্যাদি অরুনাচলত এক নম্বর, মিজোরামত দি নম্বর আ তিবুরাত তিন নম্বর ভাষাগুত্থি অহ্না সত্তেয়ো ভারদর সেন্সাস রিপোর্টত চাঙমাগানরে একখান আলাদা ভাষা ঈজেবে ধরা ন অহ্য়। ধরা অহ্য়দে বাংলার একখান উপভাষা ঈজেবে। ভারদর লিঙ্গুইস্টিক মাইনরিটিজ কমিশনেয়ো চাঙমাঘান আলাদা ভাষা ঈজেবে স্বীগের ন গরে। উত্তর-পূগ ভারদর ট্রাইবেল ভাষাগানির সরকারী লিস্টদো চাঙমা ভাষাগানর নাঙ নেই।

ইয়েনির ভেক্কানির কারন অহ্লদে আমার লেঘা-লেঘিত চাঙমার বদলে বাংলা ওক্কোরুন লারচার গরানাহ্। অনেগে হয়ত হোই পারন ককবরক, মনিপুরী - এ ভাষার মানুষ্যুনেয়োদ’ বাংলা বা এ বাবদর অহ্রক লারচার গরন। তে সে ভাষানি হিঙিরি আলাদা ভাষার মর্যাদা পায় ? তার কারন অহ্লদে এ ভাষাগানি বাংলা আ অসমীয়াত্তুন ভোজোমান ফারক - সম্পূর্ন জুদো ভাষাগুত্থির। আমা ভাষাগান বাংলার লঘে একই ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগুত্থির অহ্নার ফলে বাংলা লঘে হধে-শুনদে প্রায় হায়-হি, সে উগুরে আমি লারচার গরিই বাংলা অহ্রক - সেনত্যেই ভাষা কাবিলুনো চোঘোত চাঙমা ভাষাগান আলাদা ভাষা ঈজেবে চিহ্নিত গরিভার মত হন ডাঙর ধক চোঘোত ন পরে।

আমি যদি আগেত্তুন ধরিনেই আমা লেঘা-লেঘিত চাঙমা ওক্কোরুন বেচগরি লারচার গরি এধঙ সালে পত্থমত্তুন ধরিনেই চাঙমাঘান আলাদা ভাষা ঈজেবে স্বীকৃতি পেই এলুন আ আমা ভাষাগান ভালেদ গরিবাত্যেই নানান বাবদর বলাবলো বেজ পেলঙুন। আজলেহ্ বাংলা ওক্কোরুন আমি যেধকদিন সঙ পুরোপুরি লুঙিহ্ মারি ন পারিবোঙ সেধকদিন সঙ আমার ‘টিলা বাঙাল’ বন্নামানো ন যেব’ আ চাঙমা ভাষাগানো আলাদা ভাষা ঈজেবে স্বীকৃতি ন পেভ’।

আমা ভারদত এক আহ্জারর হাজাহাচ্যে ভাষা আঘে মাত্তর ওক্কোর আঘন্নে বানাহ্ ২০ বাবদরো হম। সিত্তুন বেজভাক ভাষায় দেবনাগরী ওক্কোরুন লারচার গরন আ চিগোন-চাগোন ভাষাগানিত বেজভাক রোমান ওক্কোর লারচার গরাহ্ অহ্য়। অনেকে আবার নিজে নিজে ওক্কোরো বানেয়োন। যেমন, সাঁওতালুনোর ‘আলচিকি’। হন ভাষার ওক্কোর থানা মানে সিয়েন এক্কান ভজমান বার গরি পারে পারা হধা। আমা ওক্কোরুন বানা চাঙমাগুনোর নয় সিগুন ভারদর পুরনি সংস্কৃতির একখান দোল মাজারা। সেনত্তেই সিঘুন বাজেই রাঘানা বানা চাঙমা জাদর নয় গদা ভারদর মানুষ্যুনোর দায়িত্ব আঘে ভিলি আমি মনে গরিই।

এচ্চে আমি চাঙমাঘুন তিন দেঝর নানা বামত ছিদেছিত্যে ওহ্ই আঘিই। দেজফারক, পরিবেশ ফারক, শিক্ষার মাধ্যমর ফারক - ইয়েনিয়ে আমারে ফারক গরার আর’ বেজ গরি। আমা বাংলা ওক্কোরোর লেঘা-লেঘিনি মিজোরাম-অরুনাচলত পড়ি ন পারন আ তারা লেখ্যা রোমান অহ্রগর চাঙমাগানি পড়িলে আমি ভাচ জরেই ন পারিই। আঝলে হন ইক্কো জাদে দি বাবদর অহ্রক হন দিন গঝি লোই ন পারন। আর যদি লন্নে অহ্য় সিয়েন অহ্ব’ তারার নাতদি মরানার সান।

বিজগত নাঙহিন্যে আঘে যে আমা জাত্তো প্রায় ৬০০ বঝর আগে দৈংনাক্যা, আনক্যা, তোঙতোঙ্যা - এ তিন ভাগে ভাক ওহ্ই যেয়ে। হয়েকদিন পরে আমার ভিদিরে হয়ত জনম লভ’ বাংলাদেচ্যে চাঙমা, ভারত্যা চাঙমা, মিজোরাম্যা, অরুনাচল্যা চাঙমা - এ বাবদর আর নুও নুও ধেলা। মনত উধে জনেশ আয়ন চাঙমার কবিতা - ‘পরে বেইল্যাক তেঙেরা,/ মিঝেল-মাজাল এক পাড়াল্যা ভাত পিলে ওল দজোরা।’ আজলে আমার পরর তেঙেরায় দেজ ভাঙালা। আর সে উগুরে যদি আমি এক জনর ভাষ আরেক জনে ন বুঝে পারা গরি ওক্কোরোর তেঙেরা বেড়ি সালেন চাঙমা জাত্তো হাহ্জেইদ্যা গাঝর সান গরি লারে কিন্তু হামাক্কায় গরি মরানার পধত লর দিবো।

একমাত্র অঝাপাত্তোই পারিবো আমারে এ মরনর পধত্তুন ফিরেই আনি। একমাত্র চাঙমা লেঘার রেগাদি পারিলেই মিলি পারিবোঙ আমি দৈংনাক্যা-আনক্যা-তোঙতোঙ্যায়। মিলি পারিবোঙ দেজকুল্যা-অরুনাচল্যা-মিজোরাম্যা-তিবুরাকুল্যায়। সালেই আমি বলবলা গরি নাঙ হোলেই পারিবোঙ - অহ্য় আমি শাক্য জাদর মানুজ - আমি হন জনত্তুন হন হিত্যেদি উনো নয়।

মাাদি,  এপ্রিল, ২০১০, আট্য বঝর, নাদা - ৪৯

ত্রিপুরায় মাতৃভাষায় শিক্ষার হদ্দমুদ্দঃ চাকমা ভাষা প্রেক্ষিত-ফুল সদক চাকমা

Placard-6

গত ১৪ই আগস্ট ২০১২ মহাসাড়ম্বরে উদ্বোধন হয়ে গেল ককবরক ও সংখ্যালঘু ভাষা উন্নয়ণ ডিরেক্টরেটের। এর এক সপ্তাহ আগে অর্থাৎ ৭ই আগস্ট ঘোষণা করা হয়েছিল চাকমা ভাষাকে চাকমা হরফে চালু করার ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত। স্বভাবতই ত্রিপুরাবাসী চাকমা জনগণ আবেগে আপ্লুত। যার ফলে ১৬ই আগস্টের ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা হরফ দাবী কমিটির বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি বিজয় মিছিলে (প্রকারান্তরে বামফ্রন্ট সরকারকে অভিনন্দন জানানোর মিছিলে) পরিনত হয়ে গিয়েছিল। এখানে বামফ্রন্টের, বিশেষভাবে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কূটনীতির প্রশংসা করতেই হয়। জানা যায় ১৬ই আগস্ট মুখ্যমন্ত্রী চাকমা হরফ দাবী কমিটির প্রতিনিধিগণকে চাকমা ভাষা উন্নয়নের সকল প্রকার সাহায্য দান তথা অতি সত্বর চাকমা হরফে পাঠ দানের কাজ শুরু করার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে চাকমা ভাষা-ভাষী জনগণ তাদের আন্দোলনের মাধ্যমে কি অর্জণ করেছেন তারা নিজেও জানেন না এবং আমার স্থির বিশ্বাস আন্দোলনকারীগণকে মূখ্যমন্ত্রী সঠিক কি দিয়েছেন তিনি সেটা নিজেও জানেন না। কেন একথা বলছি সে ব্যাপারে পরে আসছি।

সরকারের তথ্য মোতাবেক বর্তমানে ত্রিপুরায় ৯৪৩ টি স্কুলে ককবরক, ৫৮ টি স্কুলে চাকমা, ৪৯ টি স্কুলে হালাম-কুকি, ৩৬ টি স্কুলে বিঞ্চুপ্রিয়া মণিপুরি ও ২৮ টি স্কুলে মণিপুরী ভাষায় পড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ সরকার ত্রিপুরার আদিবাসীদেরকে বা সংখ্যালঘু ভাষার জনগোষ্ঠীদেরকে ১১১৪ টি স্কুলে মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের অধিকার দিয়েছে। কিন্তু মাতৃভাষায় শিক্ষা পাওয়ার অধিকার দানের নামে ককবরক, বিঞ্চুপ্রিয়া মণিপুরী, মণিপুরী ও হালাম-কুকি ভাষা-ভাষীদের কি হচ্ছে জানা না গেলেও চাকমা ভাষায় শিক্ষা দানের নামে যে ছেলে খেলা হচ্ছে তাতে ভবিষ্যতে যে কি ভয়াবহ ফলাফল বয়ে আনবে তা ভগবানই একমাত্র জানেন।

২০০৪ সালের মাতৃভাষা দিবসে পেচারতল অঞ্চলের ৬ টি বিদ্যালয়ে (পরবর্তীতে তাতে আরও ৩ টি বিদ্যালয় যোগ করা হয়) চাকমা ভাষায় শিক্ষাদানের ঘোষণার মাধ্যমে ত্রিপুরাবাসী চাকমা জনগণের মাতৃভাষায় শিক্ষায় অধিকার পাওয়ার যাত্রা শুরু হয়। তা ২০০৭ এর ৬ আগস্ট ২০ টি স্কুলে ও ২০১০ এর ২ মার্চ আরও ২৯ টি স্কুলে সম্প্রসারিত হয়। বর্তমানে মোট ৫৮ টি স্কুলে সরকারী ভাষ্য মোতাবেক চাকমা ভাষায় পাঠদান চলছে।

২০০৪ সালে যখন চাকমা ভাষায় শিক্ষাদানের ঘোষণা করা হয় তখন চাকমা জনপদ গুলিতে কিছুটা হলেও খুশীর হাওয়া বয়ে যায়। কিছুটা বলছি এ কারনে যে তাদের সবার ইচ্ছে ছিল মাতৃভাষাকে নিজস্ব হরফে পাওয়ার। কিন্ত তা করা হয় বাংলা হরফে। যার ফলে অনেকেই তার বিরোধ করতে থাকে। তা সত্তে¡ও কোন কোন মহল থেকে যথেষ্ঠ উৎসাহ দেখানো হয়। হাজার হোক মাতৃভাষা বলে কথা। তা যে কোন হরফেই হোক না কেন। কিন্তু ঘোষণার পরে সত্যি সত্যি বিদ্যালয়ে চালু হওয়ার পর চাকমা জনগণ অবাক হয়ে দেখল মাতৃভাষায় শিক্ষার নামে যেটা দেওয়া হয়েছে সেটা একটা মস্ত ফাঁকি ছাড়া আর কিছু ছিল না।

প্রথমতঃ, চিহ্নিত বিদ্যালয় গুলিতে চাকমা ভাষায় শুধু একটি মাত্র বিষয় চালু করা হল। বলা হল সেই বিদ্যালয়ে পাঠরত চাকমা ছাত্র-ছাত্রীরা ইচ্ছে করলে অতিরিক্ত একটি বিষয় (অর্থাৎ চাকমা) নিতে পারবে।

দ্বিতীয়তঃ, এখানে মাতৃভাষায় শিক্ষার প্রাথমিক শর্তটিই (কারন এখানে শিক্ষার মাধ্যম অন্য ভাষাই থেকে যাচ্ছে) লঙ্ঘিত হল। অধিকন্তু অধিকার পাওয়া জনগোষ্ঠীর কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দু’দুটি ভাষার বোঝা বহন করতে বাধ্য করা হল। জানা গেছে ১৬ই আগস্ট সাক্ষাতকারকালে মুখ্যমন্ত্রী সব বিষয় গুলি চাকমা ভাষায় করা অথবা একটি বিষয়েই সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্তটি চাকমা হরফ দাবী কমিটির প্রতিনিধিদের উপর ছেড়ে দিলেও বিষয়ান্তরে তিনি একটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ রাখার পক্ষেই সওয়াল করেছেন। অর্থাৎ সোজা কথায় তিনি মাতৃভাষায় শিক্ষার বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি নাকি ককবরক ভাষায় পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের উত্তোরত্তর খারাপ ফলাফলের কথা উল্লেখ করেছেন। ককবরক ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করলে নাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি ডিঙিয়েও (মানে ষষ্ঠ শ্রেণীতে উঠলেও) ছাত্র-ছাত্রীরা নিজের নাম দস্তখত করতে পারে না। এটা যে ত্রিপুরার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে প্রাথমিক শিক্ষার বাস্তবতা তা স্বীকার না করে তিনি দোষ চাপিয়ে দিয়েছেন ককবরক ভাষার উপর। সকল কালের সকল দেশের শিক্ষাবিদদের মতামতকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলতে চেয়েছেন, মাতৃভাষার বদলে অন্য ভাষায় শিক্ষা দিলেই ছাত্র-ছাত্রীরা ভাল শেখে। স্বাধীনতার ৬৬ বছর পরে এই প্রকারের ঔপনিবেশিক মানসিকতা সত্যিই দুঃখজনক। তবে হ্যাঁ, ত্রিপুরার লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বা যোগাযোগের ভাষা হিসেবে বাংলাকে এবং ভারতের কমার্সিয়াল বা উপার্জনের ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে আমরা কখনোই অস্বীকার করতে পারবো না। তাই বলে আমরা একটি অবুঝ শিশুকে সে ভাষাগুলি শেখানোর মাধ্যমে তার জীবনের শিক্ষার পর্ব শুরু করতে চাইবো তা কোন শিক্ষাবিদই সমর্থন করবেন না।

তৃতীয়তঃ, চাকমা ভাষা-ভাষী ছাত্র-ছাত্রীদের অতিরিক্ত একটি বিষয় পড়ানোর কারনে তাদের পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে অন্যান্য ভাষার ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার ফলাফল তুলনা করা দুরূহ হয়ে উঠল। কারন একটি বিষয় বেশী হওয়ার কারনে স্বভাবতঃই চাকমা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাপ্ত মোট নম্বর বেশী হয়ে যাচ্ছিলো। শোনা যায় এ ধরণের অভুতপূর্ব সমস্যার মুখোমুখি হয়ে অনেক চাকমা ভাষায় পঠন-পাঠন করার জন্য চিহ্নিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাঁদের নিজ নিজ বিদ্যালয় পরিদর্শকের দরবারে সমস্যা সমাধানরে দিগনির্দেশের জন্যে উপস্থিত হয়েছিলেন। বলাবাহুল্য, ওঁরা কেউই এই অস্বাভাবিক সমস্যার সমাধান বাতলাতে পারেননি। চতুর্থতঃ, যেহেতু চাকমা বিষয়টিকে প্রথম থেকেই একটি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে চালু করা হয়নি এবং পাশাপাশি অন্য সব বিষয় মাতৃভাষার বদলে অন্য আরেকটি ভাষায় শেখানো হচ্ছিল, তাই অনেক চাকমা ছেলে-মেয়ে নিজের ভাষার বিষয়টিকে ধীরে ধীরে একটি অনাবশ্যক বোঝা বলেই মনে করতে থাকলো এবং ত্রিপুরার চাকমা জনগনেরও তথাকথিত মাতৃভাষায় শিক্ষাগ্রহণের মোহ কাটতে থাকলো। তার উপরে আছে নিজস্ব হরফ থাকা সত্তে¡ও অন্য একটি হরফ চাপিয়ে দেওয়ার চাপা ক্ষোভ। এর ফলে দেখা গেল চাকমাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের অধিকার দেওয়ার ৬ বছরের মাথায় ২০১০ সালে যখন আরও ২৯ টি বিদ্যালয়ে চাকমা ভাষায় পঠন-পাঠনের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে তখন তথাকথিত মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণে কেউ আর উৎসাহী নয়। আজ ২০১২ সালের মাঝামাঝিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী যখন সংখ্যালঘু ভাষা গুলির উন্নতির জন্য পৃথক ডিরেক্টরেট গঠণ করছেন, চাকমা ভাষাকে চাকমা হরফে চালু করার কথা ঘোষণা করছেন তখন দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় যে সরকার ঘোষিত ৫৮ টি বিদ্যালয়ের কোন বিদ্যালয়েই আর চাকমা বিষয় পড়ানো হয়না।

তার চাইতেও দুঃখজনক ব্যাপার হল যেসব চাকমা ভাষা ও চাকমা সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কবিহীন সদস্যদের নিয়ে চাকমা ভাষা উন্নয়ন উপদেষ্ঠা কমিটি গঠণ করা হয়েছিল তাদের কেওই এসব সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়াতো দূরের কথা কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা তার খবর নেওয়ারও প্রয়োজন মনে করেননি। শোনা যায় বিদ্যালয়গুলিতে চাকমা ভাষায় সঠিকভাবে পঠন-পাঠন হচ্ছে কিনা তার খোঁজ না রাখার জন্য উপদেষ্ঠা কমিটির সভাপতি বিধায়ক অরুন কুমার চাকমা সহ সকল সদস্যদের বিদ্যালয় শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তীর কাছে কয়েকবার গালমন্দও শুনতে হয়েছিল। চিহ্নিত বিদ্যালয়গুলি নিয়মিত ভিজিট করতে যাওয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রীনাকি প্রয়োজনবশতঃ যানবাহন দেবারও প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু এসব স্বঘোষিত চাকমা ভাষা উন্নয়ণকারীদের কেউই সে কথায় কর্ণপাত করেননি। কারণ কমিটিতে কে কে আছে সে হিসেবেই ওনারা কমিটির মূল্যায়ণ করতে অভ্যস্ত কমিটিটি কি কি কাজ করলো সে হিসেবে নয়।

তাই বলছিলাম, আন্দোলনকারীগনকে মুখ্যমন্ত্রী চাকমা ভাষা উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন, এর আগেই আগামী শিক্ষা বর্ষ থেকে চাকমা ভাষাকে চাকমা হরফে চালুর ক্যাবিনেট সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা দিয়েছেন, সবই ঠিক আছে। কিন্তু মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুয়োগ, যা সরকার ইতিমধ্যেই দিয়ে রেখেছেন তার প্রকৃত বাস্তবায়নে যে যে প্রতিবন্ধকতা গুলি দেখা দিয়েছিল সেগুলির কোন সমাধান সূত্র কি তিনি দিয়েছেন ? সব আন্দোলনকারীই বলবেন, না। তাহলে ? আর খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই যদি সমস্যাগুলির সমাধানের কোন রাস্তা সত্যি সত্যি জিগ্যেস করা হোত তাহলে আমার মনে হয় ওনার সরকারের বিদ্যালয় পরিদর্শকগুলির মতোই তিনিও হতবাক হয়েই চেয়ে থাকতেন।

KEYBOARD LAYOUT OF CHAKMA FONTS : A COMPARATIVE STUDY

The most used Chakma fonts in India are Chakma(SuJayan) created by Dangu Er. Jayan Chakma and Sujoy Chakma and Punongjun created by Dangu...